ভোজপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনার নাম নিয়ে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর ছড়ানোর খবর পাওয়া গেছে। হাঁপানি রোগে ভোগা আরা সদর হাসপাতালে ভর্তি ৩০ বছর বয়সী এক মুসলিম যুবক অবহেলা এবং ভুল ইঞ্জেকশন দেওয়ার ফলে মারা যায়। রুষ্ট আত্মীয়রা প্রতিবাদ জানালে ওই ডাক্তার পুলিশ ডাকেন এবং এই মিথ্যা আখ্যান হাজির করেন যে, যুবকটির মৃত্যুর কারণ করোনা সংক্রমণ। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে অবশ্য করোনা ছিল না বলে বলা হয়। কিন্তু লাগামছাড়াভাবে এই মিথ্যা প্রচার চলতে থাকে যে, মুসলিমরা করোনা ছড়াচ্ছে। নওয়াদা, সাহার এবং অন্যান্য স্থান থেকেও একই ধরনের সংখ্যালঘু-বিরোধী গুজব ছড়ানোর, করোনা সংক্রমণের জন্য মুসলিমরাই দায়ী বলে মিথ্যা প্রচারের খবর আসে।
জাহানাবাদের মোদানাগঞ্জের দয়ালি বিগাহা থেকে গ্রামে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার, মারধর এবং নির্মম আচরণের সংবাদ পাওয়া যায়। জাহানাবাদ জেলার সুরদাসপুর, মুডগাঁও, কল্পা ওলি এবং ঘোষির লাখাওয়ার থেকেও কৃষক ও মাছ চাষিদের মারধর করা এবং হুমকি দেওয়ার খবর আসে।
গোপালগঞ্জ (ভোরে ব্লক এবং কুছায়াকোট থানার বেদুয়া টোলা), দ্বারভাঙ্গা (মনিগাছি) এবং সিওয়ান থেকেও পুলিশি নিপীড়ন এবং সামন্ততান্ত্রিক শক্তি-দুর্বৃত্তদের অত্যাচারের খবর পাওয়া গেছে। সিওয়ান শহরে ৪ মার্চ অশোক রামের ওপর গুলি চালানো হয়। ৭ মার্চ পার্শ্ব শিক্ষক রিঙ্কু দুবের ওপর গুলি চালানো হয় যার ফলে তিনি মারা যান। সদর মনিগাছিতে বিজেপি সদস্যদের প্ররোচনায় প্রতিবেশীরা সিপিআই(এম-এল) নেত্রী রসিদা খাতুনের ওপর আক্রমণ চালায়। ঘটনার পরপরই দল উদ্যোগ নেয় এবং পুলিশ আক্রমণকারীদের গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়।